Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

“আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আজকের রায়: বিস্তারিত জানুন”*

গতকাল , আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল একটি আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে আলোচনা।”*

হাসিনার রায় লাইভঃ ১৭/১১/২০২৫ 
আদালতের কার্যক্রম, আমার মতামত 
আদালতের রায় এবং সারাংশঃ 


১- রায় পাঠ করা হলো ইংলিশে, অত্যন্ত বাজে উচ্চারণে। আদালতের ভেতরে ম্যাক্সিমাম মানুষ এই ইংলিশের সাথে কানেক্ট করতে পারতেসে না এবং ঝিমাচ্ছে। 




২- গতকাল রাতে মনে হয় অনেকেই ঘুমায় নাই। সাদিক কায়েমের চোখ ঘুমে ভেঙে আসতেছে। মীর স্নিগ্ধ'র চোখে ঘুম। এমনকি মীর মুগ্ধ'র ব্যাপারে যখন কথা বলা হচ্ছে, তখনও সে নিরুত্তাপ। 


৩- হাসিনার ডিফেন্স উকিলরা খুবই কষ্ট করে জেগে আছে। এরা প্রায় শিওর যে রায় কী হবে। একজন উকিল ঘুমে পড়ে গেলেন, সাথে সাথে ক্যামেরা ঘুরায় ফেলা হইলো। 


যারা আদালতে দাঁড়ায় আছে, তারাই শুধু জেগে আছে। যারা বসে আছে - সব ঘুমে, বা ঝিমাচ্ছে।


৪- বিস্তারিত রায় থেকে বোঝা গেলোঃ হাসিনা মেয়ারলি গণহত্যার নির্দেশটা দিছিলো। 


কিন্তু - গণহত্যাকে বাস্তবে এক্সিকিউট করার জন্য প্রধান শয়তানি ভূমিকা পালন করেছে আসাদুজ্জামান খান কামাল, আর আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। (প্লিজ নোট, ওবায়দুল কাদেরের ভূমিকা এই পালের গোদাদের মধ্যে গৌণ)। 


বিভিন্ন সেক্টরের পালের গোদারা আন্দোলনের সময়ে প্রতিদিন রাতে আসাদুজ্জামান কামালের বাসায় মিটিং করতেন। সেইখান থেকেই মূলত একশন প্ল্যান নির্ধারণ করা হতো। অর্থাৎ, আসাদুজ্জামান কামাল এই ঘটনার সুপারভাইজার।


৫- সবচেয়ে মারাত্মক ঘটনা যেটা এড্রেস করা হয়েছেঃ হাসপাতালে নেয়ার পর আহতদের আইডি চেক করে, চিহ্নিতভাবে কিছু মানুষকে যাতে চিকিৎসা না দিয়ে মরতে দেয়া হয় - এই সংক্রান্ত নির্দেশনা ঢাকা মেডিক্যাল সহ অন্যান্য মেডিক্যালের কাছে দেয়া হয়েছিলো। 


৬- কিছু লাশ আগুন লাগিয়ে গায়েব করা হয়েছে। ডাক্তারদের চাপ দিয়ে ইচ্ছামতো বহু লাশের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বদলানো হয়েছে।


৭- শেখ হাসিনা, তাপস, কামাল সহ যাবতীয় পালের গোদাদের ফোনকলের বিস্তারিত রেকর্ড আদালতের কাছে আছে। লিকড যেসব অডিও আমরা শুনেছি, সেগুলা ছাড়াও বিশাল ডিউরেশনের রেকর্ড আছে। 


এইসব রেকর্ডিং যে আসলেই জেনুইন, সেটা বাংলাদেশের CID-এর মাধ্যমে চেক করে নিশ্চিত হওয়া গেছে।


(প্লিজ নোটঃ রায় ঘোষণার পর এই অডিওগুলো পাবলিক করা উচিত)


৮- ট্রাইব্যুনাল স্বীকার করেছেঃ এই পুরো ঘটনাচক্রকে স্ক্রুটিনির মধ্যে নিয়ে আসার জন্য প্রবাসে নির্বাসিত সাংবাদিকদের একটা বড় কন্ট্রিবিউশন আছে। বিশেষ করেঃ তাসনিম খলিল, জুলকারনাঈন সায়ের, পিনাকী ভট্টাচার্য, ইলিয়াস হোসেন, শাহেদ আলম, জাওয়াদ নির্ঝর এনাদের অবদান স্বীকার করা হয়েছে।  


৯- সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছেঃ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং আইজিপি মামুন - এই তিনজন এই গণহত্যার পিছে লিথাল ওয়েপন ব্যবহারের সরাসরি নির্দেশনা দেয়া এবং এক্সিকিউট করার মাস্টারমাইন্ড হিসাবে কাজ করেছে। এরা প্রত্যেকে সমান অপরাধের অপরাধী।


এরা ড্রোন দিয়ে আন্দোলন পরিদর্শন করেছে। হেলিকপ্টার এবং গ্রাউন্ডে থেকে লিথ্যাল ওয়েপন ব্যবহার করে, আন্দোলন দমানোর জন্য মানুষ হত্যা করার ব্যাপারে একমত হয়েছে।


১০- অপরাধ স্বীকার করে অনুশোচনাবোধ করলেঃ শাস্তি কমানোর বিবেচনা করা ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। অপরাধীরা কেউই কোনো অনুশোচনা জানায় নাই। বরং, অপরাধীরা ক্রমাগত জুলাই আন্দোলন এবং এই সংক্রান্ত যাবতীয় একশনের বিরুদ্ধে সেইফ লোকেশনে থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে হেইট মংগারিং চালায় যাচ্ছে। 


১১- কাজেই, ট্রাইব্যুনালের আইন অনুযায়ী এদের সর্বোচ্চ সাজা প্রাপ্য হয়।


১২- আদালত সব পলাতক অপরাধীকে নির্দেশ দিচ্ছেঃ দেশের কোনো মিডিয়াতে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে এইসব হেইট-মংগারিং বক্তব্য দেয়া চলবেনা। (অর্থাৎ, বাংলাদেশি কোনো মিডিয়ার পক্ষে হাসিনাকে ইন্টারভিউ করা অসম্ভব হয়ে গেলো)।


১৩- গণহত্যাকে ফুয়েলিং করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণিত হয়েছে। 


১৪- নাগরিক সাংবাদিকতা এবং সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিজমকে প্রশংসা করা হয়েছে। মোবাইলে ধারণ করা বিভিন্ন ভিডিও - অপরাধীদের অপরাধ প্রমাণ করতে সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। 


১৫- হাসিনা+ আসাদুজ্জামান কামাল+ চৌধুরী মামুনঃ হ্যাভ বিন ফাউন্ড গিল্টি, আন্ডার দ্যা চার্জেস অফ ক্রাইম এগেইন্সট হিউম্যানিটি। 


১৬- আইজিপি মামুন এইখানে রাজস্বাক্ষী হিসাবে কাজ করেছে। সে স্বীকার করেছে যেঃ এই আন্দোলন দমানোর জন্য আসাদুজ্জামান কামালের বাসায় একটা কোর-কমিটি গঠন করা হয়েছিলো, যারা প্রত্যেক রাতে মিটিং করতো।  


আইজিপি মামুন - সব ক্রাইমের সত্য এবং বাস্তব বিবরণ দেয়া সহ রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কাজে সহায়তা করেছে। সে ক্ষমা ভিক্ষা চেয়েছে, এবং স্বাক্ষী দেয়ার বিনিময়ে কম শাস্তির আবেদন জানিয়েছে। সেই আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে, এবং তাকে শাস্তি কিছু কম দেয়া হবে। 


১৭- বিভিন্ন অপরাধেঃ হাসিনার ফাইনাল রায়।


- দুই কাউন্ট অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ড। 

- এক কাউন্ট অপরাধে মৃত্যুদণ্ড। 


আসাদুজ্জামান কামালের ফাইনাল রায়ঃ 


- মৃত্যুদণ্ড। 


আইজিপি মামুনের রায় (অপরাধ স্বীকার এবং রাজস্বাক্ষী হওয়ার জন্য)


- ৫ বছরের কারাদণ্ড।  


ফাইনাল রায়ঃ 


হাসিনা, কামাল এবং মামুনের যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেঃ সেই টাকা জুলাই আন্দোলনের আহতদের চিকিৎসায় ব্যয় করা হবে।


Post a Comment

0 Comments